-62%

কৌশিক মজুমদারের ম্যাসন সিরিজ

Price 1,175 450

প্রথম প্রকাশঃ জুন ২০২০ (সূর্যতামসী)
প্রথম প্রকাশঃ আগস্ট ২০২১ (নীবারসপ্তক)
প্রথম প্রকাশঃ জানুয়ারি ২০২৩ (অগ্নিনিরয়)

হার্ডকাভারের নতুন বই

লেখক/লেখিকা: প্রকাশক:

রহস্য সিরিজ পড়ার নেশা রয়েছে? বহুদিন কোন উৎকৃষ্ট শ্রেণীর মগজের পুষ্টিকারক ডিটেকটিভ বইয়ের অভাব বোধ করছিলেন? সেই অভাব অভাবনীয় উপায়ে পূর্ণ করতে লেখক কৌশিক মজুমদারের লেখা যিনি একবার পড়তে শুরু করেছেন, বই শেষ না হওয়া অবধি দুনিয়ার সমস্ত কিছু তিনি ভুলতে বাধ্য।

সূর্যতামসীঃ
কৌশিকবাবুর ‘সূর্যতামসী’ উপন্যাসের প্রতি অধ্যায় দুর্দান্ত চমক, প্রতি পাতা চরম উত্তেজনা, আনন্দ ও বিষ্ময়ের সৃষ্টি করবেই। এই ধরণের বই বাজারে প্রথম। কাহিনীর এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে উনিশ শতকের কলকাতা, যাদুবিদ্যা, ভয়ংকর ষড়যন্ত্র, একদল উন্মাদ, ফ্রিম্যাসনের গুপ্ত সমিতি আর বেশ কিছু নৃশংস হত্যাকান্ড। রয়েছে বর্তমান কালের চন্দননগরে অনূরুপ হত্যা, গুপ্তধনের আভাস আর এক তরুণ ডিটেকটিভ। বইয়ের অন্তিমে এমন চমক উপস্থিত যাতে আপনাকে দ্বিতীয়বার বইটি পড়তেই হবে। খুব কম ডিটেকটিভ বইয়ের ক্ষেত্রে এমনটি বলা যায়।

নীবারসপ্তকঃ
“সূর্যতামসীতে যে রহস্যের সমাপ্তি ঘটেছিল বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়েছিল, প্রকৃত প্রস্তাবে সেটা ঘটনার সূচনামাত্র। যে ভয়ানক ষড়যন্ত্রের জটাজাল ক্রমে এই দেশের পটভূমিতে ঘনে আসছিল, কেউ তার বিন্দুমাত্র সন্ধান রাখে কি? প্রিয়নাথ দারোগা, তারিণীচরণ, গণপতি, সাইগারসন সকলই এক অদ্ভুত ক্রীড়ার ক্রীড়নক। অবাক বিষ্ময়ে তাঁরা সবাই চেয়ে দেখবেন- অবশেষে ভূত জেগেছে”…

একশো বছর পরে আবার সেই ভূতের ঘুম ভেঙেছে। একের পর এক মৃত্যু। হত্যা। দুর্ঘটনা। এঁরা কি পরস্পরের থেকে আলাদা? নাকি সবই এই ভূতের কারসাজি? না চাইতেই এই রহস্যে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পরে তুর্বসু রায়। তাঁর হাতে ছেঁড়া ছেঁড়া কিছু তথ্য আর তারিণীর রেখে যাওয়া অদ্ভুত এক সূত্র, যার সঙ্কেত উদ্ধার না করতে পারলে এ বিপদ থেকে মুক্তি নেই।

খেলা শুরু হয়ে গেছে। তবে এবার রহস্য আরও গভীর। আরও বিস্তৃত। আরও জঘন্য। জানা যাবে আগে ঘটে যাওয়া অনেক ছেড়ে আসা জিজ্ঞাসার উত্তর, দেবাশীষ গুহের মৃত্যুর পিছনের ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র, জড়িয়ে পড়বেন একের পর এক মানুষরা। তারিণী, গণপতি, প্রিয়নাথ, তুর্বসু তো আছেনই, তাঁরই সঙ্গে ঘটনাপ্রবাহে জড়িয়ে পড়বেন সেকালের বঙ্কিমচন্দ্র, অমৃতলালের মত মানুষ থেকে আজকের চন্দননগরের দুই “সত্যিকারের” গবেষক। তাঁরাও সাহায্য করবেন এই ভয়ানক লোমহর্ষক রহস্য সন্ধানে।

পত্রিকার কাটিং, বিজ্ঞাপন, টিকিটের টুকরো, ফটোগ্রাফ সব মিলে মিশে থাকবে ক্লু। আর থাকবে একটা বুক উইদিন বুক। তাতে কী থাকবে? থাকবে বটতলার হারিয়ে যাওয়া এক রহস্যময় নাটক।

অগ্নিনিরয়ঃ
সূর্যতামসীতে যে রমনপাষ্টির খেলা শুরু হয়েছিল, সেই ভয়ঙ্কর খেলা এবার একেবারে শেষ চরণে…
শতবর্ষ আগে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ পাপ, যা প্রকাশ পেলে “স্বয়ং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত্তি টলে যেতে পারে”, লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিল গোটা এক মানবগোষ্ঠী। সে পাপ সবার অজান্তে আবার মাথাচাড়া দিয়েছে। এ এমন এক অভিশাপ, যা কাউকেই অনাহত রাখে না। তাড়া করে চলে বীভৎস দুঃস্বপ্নের মতো। অগ্নিনিরয় সেই অন্ধকারের দিনলিপি। এর অপরূপ মহাকাব্যিক কথনে প্রিয়নাথ মুখার্জি, গণপতি, সাইগারসন, তারিণী আর তুর্বসুর পাশাপাশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে লাজুক শৈলচরণ, নির্ভয় লখন কিংবা বৃহন্নলা রামানুজের মতো প্রান্তিক মানুষজন। আসে একের পর এক মৃত্যু। হত্যা। দুর্ঘটনা। বদলে যাওয়া হাতের ছাপ। হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির রোমন্থন। চিকিৎসাশাস্ত্র আর জাদুবিদ্যার নিষিদ্ধ পরিজ্ঞান। মহারাণীর প্রাণভোমরা লুকিয়ে থাকে প্রাচীন এক কাঠের বাক্সে। কে দেবে সেই বাক্সের সন্ধান? আর ভূত? তাকে বশ করবে কে?
তিনটি ক্রমিক পর্ব ধরে, কালের একুল-ওকুল ছাপিয়ে, কলকাতা, চন্দননগর, চুঁচুড়ার অন্ধকার অলিগলি বেয়ে বয়ে চলা এই ম্যাসন সিরিজ অবশেষে বিরতি নেবে এই খণ্ডে। আকারে বৃহত্তম, আখ্যানে জটিলতম, বিস্তারে সর্বব্যাপী এই উপন্যাসটির পাঠে যেমন উঠে আসে নরকের হলাহল, তেমনি পাওয়া যায় এক অনাস্বাদিত অমৃতের ছোঁয়া। হিংসা, প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ আর প্রেমের এই অদ্ভুত কাহিনির শেষে শুধু মানবতাই জাগরুক থাকে। আর কিছু নয়

Shopping Cart